Thursday , September 20 2018
Home / Uncategorized / মাত্র এক মিনিটেই ঘুমিয়ে পড়ার দারুণ কৌশল

মাত্র এক মিনিটেই ঘুমিয়ে পড়ার দারুণ কৌশল

ঘুম না আসা খুবইযন্ত্রণাকর একটি ব্যাপার। বিছানায়শুয়ে এপাশ ওপাশ করা এবং ঘড়িরদিকে তাকিয়ে রাত পার করারযন্ত্রণা যারা ভুক্তভুগি তারাই বলতেপারবেন। ঘুম না হওয়ার সবচাইতে প্রথমও প্রধান কারণ হচ্ছে মন অস্থির থাকা।আর মন অস্থির হয়ে থাকার অন্যতম কারণহচ্ছে মানসিক চাপ। মানসিক চাপহওয়ার কারণে ঘুম আসতে চায় নাএকেবারেই। –রাতে বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশকরেন? যতই চেষ্টা করুন না কেনকিছুতেই দু’চোখের পাতায় ঘুম আসেনা। জানতেন কি ? মাত্র একমিনিটেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেনআপনি!ঘুম নিয়ে মানুষের সমস্যার কোনকমতি নেই। বেশীরভাগ মানুষসময়মত ঘুমাতে পারেন না।বিছানায় শোবার পরও ঘুম আসারকোন খবর থাকে না। যার ফলেদেখা যায় বিভিন্ন ধরণেরশারীরিক ও মানসিক সমস্যা। যাইহোক, আমাদের সকলের পর্যাপ্তপরিমাণ ও সময়মত ঘুমের প্রয়োজনরয়েছে। এর জন্য কিছু সহজ পদ্ধতিঅবলম্বন করলেই নিদ্রাজনিতসমস্যা দূর হতে পারে।না, কোনও ম্যাজিক নয়! এমনটাই হতেপারে বলে দাবি করেছেন মার্কিনমুলুকের গবেষকরা। আমেরিকানসাইকোলজিক্যালঅ্যাসোসিয়েশনের গবেষকদেরদাবি, দৈনন্দিন জীবনে স্ট্রেস ওইনসোমনিয়ার গলায় গলায় বন্ধুত্ব!একটা থাকলে অন্যটা নাকি এসেযাবেই আপনার জীবনে। আর রাতে ঘুমনা আসার পিছনে নাকি যাবতীয় দায়ওই স্ট্রেস-এর। তবে ঘুমোবেন কী করে?তা-ও আবার এক মিনিটে! একমিনিটে ঘুমোনোর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা প্রয়োজন। কীভাবে? জেনে নিন তা—• প্রথমে জিভের ডগাটা রাখুনসামনের দাঁতের সারির মাংসলজায়গায়। পুরো ব্যায়ামের সময়জিভ সেখানেই থাকবে।• এ বার বেশ জোরে ‘হুশশশ’ শব্দকরে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়ুন।• এ বার মুখ বন্ধ করে আস্তে আস্তেনাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন। এ সময়মনে মনে এক থেকে চার গুনুন।• শ্বাস ধরে রেখে এক থেকেসাত গুনতে শুরু করুন।• আট গুনে শ্বাস পুরোপুরি ছেড়েদিন। একই ভাবে ‘হুশশশ’ শব্দ করেশ্বাস ছাড়তে থাকুন।• এটা হল প্রথম বারের ব্যায়াম। এভাবেই মোট চার বার ব্যায়ামটাকরুন।গবেষকদের দাবি, এতে স্ট্রেসকমবে। ফলে ঘুমও আসবেতাড়াতাড়ি। মাত্র একমিনিটেই!অনেকেই ভাবতে পারেন এইপ্রক্রিয়াটি কেন কাজে দেবে বাএই প্রক্রিয়ায় কেন ১ মিনিটের মধ্যেঘুম চলে আসবে। এই বিশেষ ধরণেরনিঃশ্বাসের পদ্ধতিতে শুধুমাত্রআপনার ফুসফুসের উপরে প্রভাব ফেলেনা এই পদ্ধতিতে মস্তিষ্কের উপরেওকাজ হয় যা ঘুমাতে সহায়তা করে।আপনি যখন শুয়ে ঘুম না আসা নিয়েচিন্তা করতে থাকেন এবং অপেক্ষাকরেন তখন আরও বেশী মানসিক চাপসৃষ্টি হয় যা আরও বেশী ব্যাঘাত ঘটে।ঘুম যেন এক রহস্য দ্বীপ। আবছাআলো-আঁধারে ঢাকা। ‘ঘুম ঘোরেকে আসে মনোহর?’ আবার, ‘কখনোজাগরণে যায় বিভাবরী।’এ শরীরযার, যে জগতে এর বাস, তার যেনতেমন ভূমিকাই নেই, বিস্মৃত সে এজগৎ সম্বন্ধে।আমরা সবাই এমনঅবস্থায় জীবনের এক-তৃতীয়াংশসময় কাটাই।কাম ক্লিনিকের গবেষক বলেন যখনআমরা দুশ্চিন্তা করি এবং চিন্তাকরতে থাকি তখন আমাদের মস্তিষ্কেঅক্সিজেনের অভাব ঘটে। এতে করেইঅনেক বেশী ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেথাকে। যখন এই ৪-৭-৮ নিঃশ্বাসেরব্যায়ামটি করা হয় তখন অক্সিজেনআমাদের মস্তিষ্কে ভালো করেপৌছায়। যখন আপনি ৪ সেকেন্ড শ্বাসনেন তক্ষন তা আপনাকে শান্ত করেএবং যখন ৭ সেকেন্ড দম ধরে থাকেনতখন মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌছায়।এরপর আপনি যখন দম ছাড়েন তখন আপনারদেহ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড দূরহয়ে যায়। এতে আপনার হার্টবিটওকমে আসবে এবং আপনার দুশ্চিন্তাকমে আসবে। আপনার দেহ ও মনরিলাক্স হবে। আর এ কারণেই ঘুমেরউদ্রেক ঘটে। চেষ্টা করেই দেখুন না।–——————————————–বিডিলাভ২৪ ডট কম আর্কাইভ থেকে আরওএকটি কার্যকরী পদ্ধতি –জেনে নিন, ঘুম আনার ৮টিবৈজ্ঞানিক কৌশল !বিভিন্ন জরিপে দেখা যায় শতকরা৮৬% মানুষ কখনো না কখনো ঘুমেরসমস্যা বা অনিদ্রায় ভুগেছে।বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ ঘুমের ওষুধগ্রহণ করে শুধুমাত্র একটুখানি শান্তিরঘুমের জন্য। শুধুমাত্র ওষুধ নয়, ব্যবহার করাহয় ঘরোয়া টোটকাও। যেমন, বিছানায়যাবার আগে উষ্ণ পানিতে গোসলকরা বা গরম দুধ পান করা। এসব করারপরও অনেকের ঘুম আসে না। তাই রইলোকিছু ঘুম আনার কৌশল।নাকের বাম ছিদ্র দিয়ে নিঃশ্বাসনিন :যোগব্যায়ামের এই কৌশলটি আপনাররক্তচাপ কমাবে এবং আপনাকে শান্তকরবে। বাম কাত হয়ে শুয়ে একটি আঙুলদিয়ে নাকের ডান ছিদ্রটি চেপেধরে বন্ধ করুন। এরপর বাম ছিদ্র দিয়েআস্তে আস্তে, গভীরভাবে শ্বাস নিন।পেশির শিথিলতা :মাংসপেশির শিথিলতা শরীরকেঘুমের জন্য তৈরি করে তোলে।বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পাড়ুন। গভীরশ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে নাকদিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। একই সঙ্গে আপনারহাঁটু ভাঁজ করে পায়ের দিকে চাপদিন এবং ছাড়ুন। একই ভাবে শরীরেরঅন্যান্য পেশিগুলো যেমন কাঁধ, পেট,বুক, ঊরু, বাহু ইত্যাদিতে চাপ প্রয়োগকরুন এবং শিথিল করুন।জোর করে জাগুন :নিজেকেই চ্যালেঞ্জ করুন যে জেগেথাকবেন। এতে আপনার মন বিদ্রোহীহয়ে উঠবে। এটাকে বলা হয় ‘স্লিপপ্যারাডক্স’। চোখ বড় বড় করেতাকিয়ে থাকুন এবং বারবারনিজেকে বলতে থাকুন যে আপনিঘুমাবেন না। এতে কিন্তু কাজ হবেউল্টো! অর্থাত্ আপনি তাড়াতাড়িঘুমিয়ে পড়বেন।সারাদিনের পুনরাবৃত্তি :সারাদিনের প্রতিটি খুঁটিনাটি মনেকরার চেষ্টা করুন। কথাবার্তা,দৃশ্যাবলি, শব্দ ইত্যাদি মনে করতেকরতে আপনার ঘুমানোর মতো মানসিকঅবস্থা তৈরি হয়ে যাবে।চোখ ঘোরানো :চোখ বন্ধ করুন এবং আপনার চোখেরমণি ঘোরাতে থাকুন। এতে আপনারঘুমের হরমোন বেড়ে যাবে।কল্পনা করুন :দৃশ্য কল্পনা করার মেডিটেশন বেশকাজে দেয় এ ব্যাপারে। নিজেকেকল্পনা করুন কোনো সুন্দর পরিস্থিতিরদৃশ্যে। ফুলের সুবাস নেয়া, ফুলেরবাগানে হেঁটে চলা, ঘাসের অনুভবঅথবা পায়ের নিচে বালি ইত্যাদিকল্পনা করুন। মন শান্ত হবে এবং ধীরেধীরে ঘুম চলে আসবে।নিঃশ্বাসের ব্যায়াম :এটি মেডিটেশনের একটি বিশেষধাপ। একটি আরামদায়ক অবস্থানে বসুন।চোখ বন্ধ করুন, কাঁধ নামিয়ে দিন,চোয়াল আরামে রাখুন, তবে মুখটাহালকাভাবে বন্ধ রাখুন। নাক দিয়েগভীরভাবে শ্বাস নিন, তবে বুক ভরেনয়, পেট ভরে! এবার মুখ দিয়ে শ্বাসছাড়ুন। এভাবে অন্তত ছয়বার করুন। এরপরএক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসে থাকুন।নিজেকে বলুন, আমি ঘুমের জন্যতৈরি। এর পর ধীরে ধীরে উঠে পড়ুনএবং বিছানায় চলে যান।সঠিক জায়গায় চাপ প্রয়োগ :শরীরে এমন কিছু বিশেষ জায়গারয়েছে যেখানে মৃদু কিন্তু দৃঢ়ভাবেচাপ প্রয়োগ করলে ঘুম আসে। দুই ভ্রূ’রঠিক মাঝখানে, নাকের একদম উপরেরঅংশে বুড়ো আঙুল রাখুন। ২০ সেকেন্ডচেপে ধরে রাখুন তারপর আঙুল সরিয়েনিন। এভাবে আরো দুবার করুন। এবারবিছানার ধারে বসুন এবং ডান পাউঠিয়ে বাম হাঁটুর ওপরে রাখুন। হাঁটুরহালকা জায়গাটি খুঁজে বের করুন এবংদ্বিতীয় হাঁটু দিয়ে একইভাবে চাপদিন। এক পায়ের সাহায্য নিয়ে আঙুলদিয়ে অন্য হাঁটুর উল্টো পিঠেরজায়গাটি খুঁজে বের করুন। বুড়ো আঙুলএবং হাতের অন্য চার আঙুল দিয়েহাঁটুতে মৃদুভাবে চেপে ধরুন।

Check Also

Chandra Sekhor Megoboti (2017) Bangla Natok Ft. Chanchal & ATM Shamsuzzaman HD

Chandra Sekhor Megoboti (2017) Bangla Natok Ft. Chanchal & ATM Shamsuzzaman HD Chandra Sekhor Megoboti …