Home / BDLove24.Com Official Facebook Page

BDLove24.Com Official Facebook Page

BDLove24.Com Official Facebook Page

( Please Like our Facebook Page for more updates )

 Page Link: http://facebook.com/bdlove24com

_বউ কে নিয়ে আমার কিছু ভবিষ্যৎ ভাবনা❤️❤️ ১। বিছানার খাটে শুধুমাত্র একটি বালিশ থাকবে যেটাতে আমি ঘুমাবো, আর সে ঘুমাবে আমার বুকে। ২। শীত হোক আর গরম হোক, সবসময় দুজনের ৮টি হাত-পা একত্রিত করে গিট্টুবানিয়ে ঘুমাবো, সে হবে আমার গিট্টু রাণী😍 ৩। আমার স্ত্রী কখনো আমার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারবেনা। সবসময় আমি তার আগে ঘুম থেকে উঠে তার ঘুমন্ত নিষ্পাপ চেহারার দিকে তাকিয়ে থাকবো। ৪। সকালবেলা আমি অফিসে যাওয়ার সময় পাঁচ, আবার অফিস থেকে ফেরার পরে পাঁচ মোট ৫+৫=১০টি কিস করতে হবে, প্রতিদিন। ৫। আমি অফিসে কর্মরত। হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি নামবে.....!! আমি ঝটপট করে বাসায় চলে আসবো। স্ত্রী আমাকে দেখে অবাক! কি ব্যাপার, এই অসময়ে তুমি বাসায়? বাইরে তখন বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। আমি হাত ধরে টেনে তাকে ছাদে নিয়ে যাবো। ইচ্ছে মতো ভিজবো দুজন। তেমনকিছুই হবেনা, শুধু বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দ। ৬। মাঝে মাঝে অফিসের ছুটিতে তাকে নিয়ে রোমান্টিক কিছু যায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবো। ৭। লাঞ্চের পূর্বমুহূর্ত। হঠাৎ স্ত্রী ফোন করে বলবে, এই! আজ রান্না করতে ভালো লাগছেনা। চলোনা আজ দুজনে বাহিরে লাঞ্চ করি? আমি বাসায় চলে আসবো। এসেই অবাক!! আমার সব ধরনের প্রিয় খাবার রান্না করে সাজিয়ে রেখেছে ডাইনিং টেবিলে!!! আমি তার দিকে কৌতূহলি দৃষ্টিতে তাকাতেই সে খিল খিল করে হেসে লুটিয়ে পড়বে আমার শরীরের উপর। কানে কানে ফিস ফিস করে বলবে, কেমন হলো সারপ্রাইজটা??? আমি তাকে জড়িয়ে ধরবো।❤️❤️ ৮। প্রিয়তমার জন্মদিন। আগেরদিন সকাল থেকেই তার সাথে প্রচুর ঝগড়া শুরু করবো। আমার আচরণে সে অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে। সন্ধার দিকে ঝগড়ার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেব। এক সময় তাকে প্রচন্ড রাগিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যাবো এক কাপড়ে। সে চিন্তায় পড়ে যাবে। ভাবতে থাকবে, এই শীতের রাতে পাতলা একটি শার্টগায়ে দিয়ে কোথায় চলে গেল মানুষটা?? আস্তে আস্তে রাত গভীর হতে থাকবে। ঠিক ১২.১ মিনিট। দরজায় কলিংবেলের শব্দ শুনে দৌড়ে এসে দরজা খুলবে সে। খুলেই অবাক!! তার জন্য ১২ পাউন্ডের বিশাল কেক, তার প্রিয় ফুল, প্রিয় পারফিউম, প্রিয় লেখকের বই নিয়ে আমি বাইরে দাড়িয়ে আছি। সে দরজা খুলতেই, আমি ফুলগুলো তারদিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলবো- Happy birth day... খুশিতে তার চোখে জল এসে যাবে। পাগলের মত আমাকে জড়িয়ে ধরে বলবে, এমন পাগলের সাথে কি রাগ করে থাকা যায়?❤️❤️
Akash

মেয়েটা ঘুমিয়ে যায়।
পাশেই ছেলেটা জেগে থাকে।
ঘুমজড়ানো চোখ খুলে মেয়েটা বলে "
এই তুমি ঘুমুবে না? আসো ঘুমাই "
.ছেলেটা হাসে, বলে - তুমি ঘুমোও,
আমি আরেকটু পর
ঘুমুবো।
.মেয়েটা চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ে।
কনকনে শীত,ভারী কম্বল
গায়ে দিয়ে শুয়ে থাকায় চট করে
ঘুমিয়ে যায় মেয়েটা ।
.ছেলেটা পাশ ফিরে তাকায়।
ডান হাত বের করে নেয় কম্বলের ভেতর
থেকে

অবাক চোখে ঘুমন্ত নিষ্পাপ চেহারাটার
দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে। কী অদ্ভুত এক
মায়া
চেহারাটার মাঝে। বন্ধ করা চোখের পাতা
মাঝেমাঝে কেঁপে
উঠে। ছেলেটা দেখতেই থাকে। কপাল
ছুঁয়ে আছে একমুঠো চুল। ছেলেটার ছুঁয়ে দিতে
ইচ্ছে হয়।
মেয়েটা জেগে যাবে বলে ছোঁয় না।
.কনকনে শীতে ছেলেটার হাত ঠান্ডা হয়ে
আছে।
ছেলেটা ঠান্ডা হাত মেয়েটার গালে ছুয়ে
মজা পায়।
তার ছুতে ইচ্ছে হয়। ছোঁয় না,মেয়েটা জেগে
যাবে বলে।
.ছেলেটা অপলক দৃষ্টিতে শুধু
তাকিয়েই থাকে। হঠাৎ বন্ধ চোখের পাতা
নেচে
উঠে।
চোখের পাতা সরে ছোট্ট দুটো চোখ
উঁকি দেয়। ঘুমজড়ানো কন্ঠে ভ্রু নাচিয়ে
জিজ্ঞেস করে " কী দেখো? "
.ছেলেটা বলে - কিছু না।
আমার হাত অনেক ঠান্ডা।
.মেয়েটা চোখ বুঁজে
মুচকি হেসে ছেলেটার হাত বালিশের
উপর নেয়।
সেই হাতের উপর তার গাল রেখে
চুপচাপ শুয়ে থাকে। ঠান্ডা হাত লাগায়
একধরনের শিউরে উঠা
ভাব থাকে,মেয়েটার তারপরও ভালো
লাগছে। এ যে এমন একজনের হাত,যেই একজন
তার।
.এবার ছেলেটা আবার তাকিয়ে থাকে।
মেয়েটা আবার চোখ খুলে। পিটপিট করে
তাকিয়ে
বলে-- এই শোনছ?
- হুমম বলো।
- তোমার হাত অনেক ঠান্ডা।
-সরিয়ে নাও?
-আচ্ছা।
.ছেলেটা হাত সরিয়ে নেয়। অল্প অল্প
মন খারাপের রেখা ভাসে
গালে- কপালে। মেয়েটা চোখ বুঁজে
আছে, তাই
দেখেনা তবে বুঝতে পারে।
.মেয়েটা আবার চোখ
খুলে, পিটপিট করে তাকায়।
বলে-- এই শোনছ?
-হ্যাঁ বলো ।
- বালিশটাও না খুব ঠান্ডা।
- এখন কী করা?
বালিশ সরিয়ে নেব?
- উহুঁ
-তাহলে?
-তোমার বুকে মাথা রাখি?মেয়েটা
উত্তরের অপেক্ষা করেনা। চুপচাপ মাথা
রাখে
ছেলেটার বুকে। বুকের গহীন থেকে গর্জন
আসে। গর্জন
আসে ভালোবাসার, গর্জন আসে
অনেক পাওয়ার,গর্জন আসে সুখের। চোখ
বুঁজে মেয়েটা সে সুখ মেখে নেয়।
এ বুক তার,শুধুই তার। এই
ছেলেটা তার স্বামী, শুধুই তার।
.ছেলেটা হাসে।
অনেক পাওয়ার হাসি। আলতো করে
মেয়েটার
চুলে হাত রাখে। ঠান্ডা হাত।
ভালবাসা কি জানি না...
হয়তো এটাই ভালবাসা...
Akash

বল্টু তাদের ক্লাসে একটা মেয়ে দেখে তার প্রেমে
পরে গেলো
তাই বল্টু মেয়েটিকে গিয়ে বলল.......
বল্টুঃ সোনা পাখি I Love u.
তুমি

আমাকে I Love u 2......বলনা
প্লিজ..
...
...
...
মেয়েঃ আমি কিন্তু একথা স্যার কে
বলব।
....
....
বল্টুঃ চিৎকার করে উঠল...না......
এবং বলল
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
...
...
..,
....
....
.....
.....
.....
প্লিজ ময়না পাখি। স্যারকে ও কথা
বলোনা।
.
.
.
.
.
.
.
.
স্যারের বৌ আছে। ২ টা বাচ্চা
আছে।
ওদের সুখের
সংসারে তুমি
আগুন
লাগিয়ো না........!!
আমি একা আছি আমাকে
বলো.
Akash

ইদানীং একটা বিষয় আমি খুব ভালো
ভাবে লক্ষ্য করছি।অবন্তিকা আমাকে সব
কিছুতে'ই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে।
.
-অবন্তিকা!!
-হুম।
-ফোনে এতোক্ষণ কি করছিলে..?
-মানে!!
-মানে তোমার ফোন আমি এতক্ষণ বিজি
পাচ্ছিলাম কেন?
-বিজি?!!...কই নাতো!
- প্রায় দুই ঘন্টা যাবত আমি তোমার
ফোনে লাগাতার কল করে যাচ্ছি... কিন্তু
বার বার ওয়েটিং'য়ে দেখাচ্ছিলো।
কারণ টা কি?
-কোনো কারণ নেই।এমনি হয়তো
নেটওয়ার্ক প্রব্লেম ছিলো।
-ওহ তাই?...কিন্তু নেটওয়ার্ক প্রব্লেম
থাকলে তো ফোনে কলই ঢুকত'না।আর
সেটা তো তুমি আমার চেয়ে ভালো
জানো?
-(ফোনের ওপাশে বিরক্তির আভাষ)
-সত্যি করে বলো অবন্তিকা কি করছিলে
যে তোমাকে ফোনে পাওয়া
যাচ্ছিলোনা?(জোড়ালো কন্ঠে)
-কি করছিলাম মানে??তুমি কি আমাকে
সন্দেহ করছো??
-ধরে নাও সেটাই!!
[এ কথা বলার সাথে সাথে তুই তাকারী
থেকে শুরু করে যত প্রকার বাংলিশ বোকা
এবং ঝাড়ি আছে সব বলে অবন্তিকা ওপাশ
থেকে ফোনটা কেটে দিলো]
.
ইয়া আল্লাহ...মাবুদ.... ভাবতেই অবাক
লাগে, ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা
অবন্তিকাকে এখন কল দিলে ঝাড়ি মেরে
ফোন কেটে দেয়।যে মেয়েটা "আই লাভ
ইউ"বলতে বলতে আমাকে পাগল করে
দিচ্ছিলো সেই মেয়েটা এখন সারাদিন
পার হয়ে গেলে একবারের জন্য হলেও
"আই লাভ ইউ"শব্দ উচ্চারণ করেনা।
.
এটা'তো ছিলো কয়েকদিন আগের ঘটনা।
আরো চমকপ্রদ ঘটনা আছে।
.
গত কাল অবন্তিকা'কে আবার কল দিলাম
দেখা করার জন্য ।
-ওহে.. অবন্তিকা!!
-হুম।
-একটা কথা বলি শুনবেন?
-হুম বলো।
-অনেকদিন তো হয়ে গেলো আপনার
চাদখানা মুখ দেখিনা।চলেন আজকে
আমরা দুজন দেখা করি।
-সময় নেই..অন্য একদিন করবো।
-অন্যদিন কেন??..আর কি করেন যে আমার
সাথে দেখা করার সময় পর্যন্তও নেই?
-ওই এতো প্রশ্ন করো কেন তুমি হ্নম?
(রেগে গিয়ে)
-যে'টা জিজ্ঞেস করছি সেটার ঠিক ঠাক
উত্তর চাই অবন্তিকা।
-অনেক ধরনের কাজ থাকে আমার
বুঝবেনা!
-কত ধরনের?
-হারামী..কুত্তা...শয়তান আমার কাজ তুই
কখনো'ই বুঝবিনা।(ডিরেক্ট তুই)আসলে তুই
আমাকে কখনো বোঝারই চেষ্টা করিসনি।
এক্ষণি ফোন রাখ। আর কখনো আমার
ফোনে কল দিবিনা।যত্তসব....!!
.
[আবুলের মতো ফোন হাতে দাঁড়িয়ে
ভাবছি... যাহ বাবা!!এটা আমার সাথে কি
হলো?!!..হে খোদা. ...এতো আবেগ রাখি
কই??আবেগে'তো আমার কান্না করে
দিতে মন চাইতেছে।যে মেয়েটাকে
দেখা করার কথা বললে নির্দিষ্ট সময়ের
এক ঘন্টা আগে গিয়ে বসে অপেক্ষা
করতো সে আজ আমার সাথে দেখা না
করার জন্য বিভিন্ন মনগড়া কাজের বাহানা
দেয়।]
.
অবন্তিকার সাথে আমার ফার্স্ট পরিচয়
হয়েছিলো এক সন্ধ্যায়।
সেদিন সন্ধ্যাবেলা আমি বারান্দায় বসে
কফির কাপে চুমুক দিচ্ছিলাম আর গুনগুন করে
গান গাইছিলাম।শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম
কফি। বাহ!!... কি ফিলিংস!! কিন্তু এই
ফিলিংস টার বারোটা বাজলো যখন
বাড়ির সামনে ইয়া বড় চারটা হাড়কিপ্টা
কুকুরের" ঘেউ ঘেউ"আওয়াজ আমার কানে
ভেসে এলো।মনটা চাচ্ছিলো তখন
বারান্দা থেকে এক লাফ দিয়ে নেমে
কুকুরগুলার লেজ ধরে উরাধুরা ঘুরান্টি দেই।
কিন্তু অনেক কস্টে মনের রাগখানা
কন্ট্রোল করলাম।
হারামজাদা কুকুরগুলা এই অসময়ে
চিল্লাচিল্লি করতেছে কেন দেখতে
বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বারান্দা
থেকে একটা উকি মারলাম।
আরে.....!! এতো দেখি অন্য কেস।
হারামজাদা কুকুরগুলা এতোক্ষণ ধরে একটা
মেয়েকে দেখে এরকম ঘেউ ঘেউ
করতেছে।আর ঐ মেয়েটা কামড় খাবার
ভয়ে এক কোনায় দাড়িয়ে থেকে
পপকনের মতো ভয়ে কাপছে।
আর কোনো দেরি না করে বাসায় থাকা
তালের মোটা লাঠিটা নিয়ে এক দৌড়
দিয়ে সোঝা মেয়েটার কাছে গিয়ে
দাঁড়ালাম।কুকুর বাছাধনেরা এবার ওদের
ফোকাস টা মেয়েটার উপর থেকে
সরিয়ে আমার উপর দিলো।
হাহাহাহা.........আমিও কমনা।লাঠি হাতে
ওদের এমন আমার ক্যালমা দেখালাম যে
ঘেউ ঘেউ শব্দ মুহূর্তেই মিউ মিউ শব্দে
পরিণত হয়ে গেলো।এবং উরাধুরা মার
খাওয়ার পর চুপচাপ লেংড়াতে
লেংড়াতে হারামজাদা কুকুরগুলা সেখান
থেকে বিদায় হলো।
.
মেয়েটা দেখি এখনো পপকনের মতো
ফুটতেছে সরি কাপতেছে।লাঠী কাধে
যুদ্ধ জয় করা বীরদের ন্যায় গর্বিত কন্ঠে
বালিকাকে অভয় করে বললাম...
-
-আপনার কোনো ভয় নেই!!আমি ওদেরকে
তাড়িয়ে দিয়েছি!"
-থ্যাংকস!
(মনে মনে বললাম -এতো কস্ট করে
কুকুরকুণ্ডলী তাড়ালাম সামান্য থ্যাংকস
পাবার জন্য!হায়রে পোড়া কপাল আমার)
-কি বললেন??
-না কিছুনা।তা এ সন্ধ্যাবেলায় একা একা
কোথায় যাচ্ছিলেন?আপনার সাথে তো
কোনো মানুষ জনও দেখছিনা।
-ইয়ে মানে...আমি প্রতিদিন এ সময়
প্রাইভেট শেষ করে বাসায় ফিরি।কিন্তু
আজকে কেন যেন কুকুরগুলো আমাকে
দেখে বিকট শব্দে ঘেউ ঘেউ করছিলো।
-বুঝলাম।
আসলে ওরা নতুন কাউকে দেখলে এরকম
করে।আর এভাবে একা বের হবেননা।বের
হলে বড় কোনো গার্জিয়ান কে নিয়ে
রাস্তায় বের হবেন।তা নাম কি আপনার??
(নাম জিজ্ঞেস করাতে বালিকা আমার
দিকে এমন ভাবে ঘুরঘুর করে তাকালো
যেন আমি বড় কোনো অপরাধ করে
ফেলেছি)
-অবন্তিকা।~~~~বলেই জোরে হাটা
দিয়ে চলে গেলো।
.
কুকুরজাতি পাউরুটি প্রিয়।
তাই এরপর থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমি
কুকুরের দলগুলোকে পাউরুটির প্রলোভন
দেখিয়ে আমার বাড়ির সামনে এনে
বসিয়ে রাখতাম আর লাঠী হাতে দূরে
দাঁড়িয়ে থেকে মেয়েটার হেটে
যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতাম।
যেই অবন্তিকা আসতো..... কুকুরগুলা ঘেউ
ঘেউ চিল্লানী দিতো আর আমি গিয়ে
বেচারাদের গণধোলাই দিয়ে তাড়িয়ে
দিতাম।রোজ সন্ধ্যাতেই আমি এই একই রুটিন
ফলো করতাম।
আর এভাবেই প্রথম দিন নাম,দ্বিতীয় দিন
পরিচয় ,তৃতীয় দিন বাসার ঠিকানা,চতুর্থ
দিন ফোন নাম্বার ইত্যাদি সব কিছু জোগাড়
করে ফেললাম।একসময় মন দেওয়া-নেওয়াও
সম্পন্ন হলো।সম্পর্ক আপনি থেকে তুমিতে
চলে এলো।প্রবেশ করলাম রিলেশন নামক
প্যারার জগতে।
.
ভালোই চলছিলো সবকিছু আর বিশ্বাস করুন
প্রথম প্রেমের অর্থাৎ রিলেশনশিপের সব
কিছুই সুন্দর লাগে। প্রতিটা মুহূর্ত
গোছানো থাকে।আমাদেরটা'ও ছিলো।
কিন্তু মাঝখানে সব কিছু এলোমেলো
হয়ে গেলো।অবন্তিকার ব্যবহার চেঞ্জ
হতে লাগলো।ভাবছিলাম পড়াশুনো নিয়ে
হয়তো কোনো টেনশনে আছে.. একসময়
এমনি ওর মন ঠিক হয়ে যাবে।কিন্তু
হলোনা।সে প্রতিনিয়ত বদলে যেতে
লাগলো।ফোন দিলে ফোন ধরেনা,দেখা
করতে চাইলে দেখা করেনা,ঠিক-ঠাক
করে কথা বলেনা,কথায় কথায় আমাকে
বোকা-ঝোকা করে।এরকম একটা সাইকো
টাইপের মেয়ের সাথে আর যাইহোক
রিলেশন রাখা সম্ভব না।তাই একটা
ধামাকাদার ডিসিশন নিলাম।
.
শেষ বারের মতো অবন্তিকাকে কল দিয়ে
বিকালে পার্কে দেখা করতে বললাম।
প্রথমে রাজী হতে চায়নি কিন্তু জোর
করাতে রাজী হয়ে যায়।
বিকাল ৩টা......
অবন্তিকা এবং আমি লেকের সামনে
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।অবন্তিকা জিজ্ঞেস
করলো.....
-কেন ডেকেছো?
-চুপিচুপি ধামাকা করতে....!
-মানে কি?ওই খবরদার তুমি আমার কাছে
আসার চেষ্টা করবেনা বলে দিলাম।নইলে
আমি চিৎকার করে লোকজন জড়ো করবো
কিন্তু।
-হাহাহা....বোকা মেয়ে।আমি ধামাকা
দ্বারা অন্য কিছু মিন করেছি। যেটা একটু পর
বুঝে যাবে।
-বুঝলামনা....
-বুঝতে হবেনা।আচ্ছা তোমার হাতটা দাও
তো দেখি অবন্তিকা।
-কেন??
-আহা প্রশ্ন করোনা।আগে দাও তার পর
বলছি।
(অবন্তিকা হাত বাড়িয়ে দেয়.. আমি ওকে
সুন্দরমত প্লাস্টিকের বানানো কিছু
গোলাপ ফুল হাতে ধরিয়ে দিলাম!!)
-এটা কি??
-প্লাস্টিকের গোলাপ।
-সেটা তো আমিও দেখতে পাচ্ছি। বাট
এটা আমাকে দিলে কেন?
-ফিউচারে আমাদের ভালোবাসার
সাক্ষী বহন করবে এই লাল প্লাস্টিকের
গোলাপফুলগুলো।
-যাহ শয়তান.....
-আচ্ছা অবন্তিকা একটু ওইদিকে তাকাও
তো...!
-কেন?
-এতো প্রশ্ন করো কেন?বলছি তাকাতে
তাকাও
(অবন্তিকা অন্যদিকে মুখ ঘুড়িয়ে লেকের
দিকে তাকায়)
.
এমন সময় পিছন থেকে দৌড়ে এসে ওকে
সজোরে দিলাম এক লাথি। ব্যাস
অবন্তিকা সোঝা লেকের পানিতে ধপাস
করে পড়লো।আশেপাশের সব লোকজন
সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে।
হাহাহ....আমি কারো পরোয়া করিনা।
তারপর পাশের গাছ থেকে আগে থেকে
রাখা সবজির বস্তাটা নিয়ে আসলাম।ইচ্ছা
মতো টমেটো, গাজর,শশা,মুলা,আলু,সহ যত
ধরনের সবজি আছে সব অবন্তিকে নিশানা
করে সমানে মনমত মারলাম।আহ......মন টা
আজকে বড় খুশি খুশি।
এরপর অবন্তিকাকে জোরে শুনিয়ে
বললাম,
"ও গো..! তোমার সাথে ব্রেকাপ করলাম
গো!আর ধামাকা টা কেমন লাগলো পরে
জানিও!"
.
আমি পিছন দিকে ফিরে হাটা দেয়া শুরু
করলাম।
আর মনে মনে ২টা লাইন গুনগুন করে বলতে
লাগলাম.......
:ও গো অবন্তিকা!! :
:তোমার প্রেম আমার কাছে যাস্ট একটা
মরীচিকা :
.
স্টোরির নাম→অবন্তিকা Vs হাফ
রিলেশন

একদিন স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী
মেয়েটাকে"I Love U" লিখে চিঠি দিছিলাম। মাইয়া
আমারে "UMahhh" লিখে চিঠির উওর দিয়েছিলো ।
চিন্তায় পড়ে গেলাম "UMahh" আবার কি?
ক্লাসের এক বন্ধুরে জিগাইলাম,দোস্ত "UMahh"
মানে কিরে?
হারামি কইলো "UMahh" হইলো আফ্রিকান শব্দ এর
অর্থ হলো "বান্দর"
এক কাজ কর, তুই ওই মাইয়ারে "I hate u" লিখে দে।
তার কথা মতো আমিও "I hate u" লিখে চিঠি দিছিলাম।
এখন সে মেয়েটির দুইটা বাচ্চা আছে, হারামি বন্ধুটি
বাচ্চাগুলার বাপ ।

মৃত্যু এমন এক মেহেমান, যে দরজায় এসে দাঁড়ালে তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা এই পৃথিবীর কার ও নাই ........
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন " কোণ প্রাণীই জানেনা কোথায় এবং কিভাবে তার মৃত্যু হবে "।
(সূরা-লোকমান, আয়াত-৩৪)
হে আল্লাহ
আমাদের সকলকে ঈমান নিয়ে মৃত্যু বরন করার তাওফিক দান করুন । আমিন।

এই ছেলে এদিকে আসো তো। তুমি আকাশ না?
`
সিনিয়র আপুর হঠাৎ এমন ডাকে ভয়ে ভয়েই কাছে গিয়ে বললাম,
-- জী আপু, আমি আকাশ
-- তুমি কাল ফেসবুকে রিকুয়েস্ট পাঠাইছো, তার উপরে আবার আমায় পোক মারছো কেন?
-- সরি আপু।
`
আমার ভয়ার্ত ভাব দেখে উনি আরো মজা নিতে শুরু করলেন,
-- কত মেয়েকে রিকুয়েস্ট দাও?
--কি যে বলেন আপু। মেয়েদের আমি,,,,
-- থাক থাক, এখন বলবে মেয়েদের রিকুয়েস্ট দিইনা, কথা বলিনা, সব ছেলের স্বভাব এটা বলা!
-- তা না আপু।
-- তা নয় তো কি? আর প্রতিদিন এখানে এই সময়ে দাড়িয়ে থাকো কেন? মেয়েদের দেখার জন্য?
-- তা নয় আপু।
-- তা নয় হুম? এখন আবার আপু ডাকা হচ্ছে। তাকাও তো লুকিয়ে আড় চোখে, ভাবছো দেখিনা। আমি তোমার এক বছরের সিনিয়র। মাইন্ড ইট!
--জ্বী।
-- জ্বী কি? কিছু বলার নাই? ফেসবুকে নিশ্চই মেয়েদের সাথে কথা বলতে পারো, আর এখন ভেজা বেড়ালের মত দাড়িয়ে আছো।
`
আমি মাথা নিচু করে দাড়িয়ে ছিলাম। উনি বকা দিচ্ছিলেন আর ঠোটের কোনে যে মুচকি হাসি ফুটছিল তা নিচ থেকে, আড় চোখে লক্ষ্য করছিলাম।
মুচকি হাসি দেখে মনে একটু সাহস এলো।
-- আচ্ছা আপু সরি। আর এখানে আসব না। যাই এখন,,,,
`
কথাটা বলেই দ্রুত হেঁটে চলে আসলাম। লজ্জ্বা পাচ্ছিলাম, মনটাও খানিকটা খারাপ হয়ে গেলো, এরকম না বললেও পারতো। তাড়াতাড়ি ফেসবুকে ঢোকে রিকুয়েস্ট ক্যান্সেল করতে গেলাম। দেখি একচেপ্ট হয়ে গেছে।
`
তিন চার দিন ভার্সিটি যাইনি। সন্ধ্যাবেলা একটা অপরিচিত ফোন আসলো। অপরিচিত কন্ঠ।
-- এই ছেলে, চিনতে পারছো?
-- না তো, কে আপনি?
-- চিনবে কি করে? কয়টা মেয়ের সাথে কথা বলো?
-- আরে কে আপনি ভুলবাল কি বকছেন। আজব তো।
-- চুপ। আমি হলাম সে।
-- সে কে?
-- যাকে রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে।
--ওওওওওও আপু,,
-- কেন কয়জন আপাকে রিকুয়েস্ট মারছো, যে ইতস্ততো ভাব করছো।
--সরি। বুঝতে পারিনি, আপনার সাথে আগে ফোনে কথা হয়নি তো, তাই চিনতে পারিনি।
`
আপুর নাম সাবিনা, সিনিয়র ক্রাশ আমার। যাহোক সিনিয়র আপা এবার বললেন,
-- কি ব্যাপার তোমাকে ওখানে আর দেখি না যে,
-- আপনিই তো না করলেন থাকতে।
-- না করলেই আসবে না? ফাজিল ছেলে। আর শুনছি তুমি নাকি সবাইকে বলে বেড়াচ্ছ আমার উপর ক্রাশ তুমি।
রিয়া আপার ডিরেক্ট এই প্রশ্নে অনেকটা লজ্জ্বা পেয়েই চুপ থাকলাম।কি রকম ডেঞ্জারাস মেয়েরে বাপ।
-- কি হলো চুপ কেন?
-- ইয়ে মানে, কি যে বলছেন।
-- সাহস তো তোমার কম নয়, মাইর চিনো?
-- আপু ওরকম কিছু না।
-- তো কিরকম কিছু?
-- না কিছু না।
-- কাল দেখা করবা ওকে? লাইব্রেরীতে।
-- জ্বী।
-- মনে থাকে যেনো।
`
সকালে ঘুৃম থেকে উঠেই কয়েকটা বন্ধুকে ফোন দিলাম,
- দোস্ত ঝামেলা তো হয়ে গেছে, লাইব্রেরীতে থাকিছ তোরা। যদি কিছু করে, এই গুন্ডি আপুর প্রতি ভরসা করা যায় না, যে ডেঞ্জারাস বড় ভাই অথবা স্যারদের যদি কিছু বলে বানিয়ে।
`
সকালে মনকে অনেক শক্ত করে ভার্সিটিতে গেলাম। লাইব্রেরীতে বন্ধুদের নিয়ে গেলাম।
গিয়ে দেখি সিনিয়র ক্রাশ বসে আছে। কোন বড় ভাই নাই, সাথে কয়েকটা বান্ধবী। সবাই মুচকি হাসছে। আমি যে কতটা বোকার মত„ বাজে ধারনা মনে পুষেছিলাম তা বুঝতে দেরি হলোনা।
`
যাহোক, আমাকে দেখেই উনি এগিয়ে আসছেন।
--এই ছেলে এত দেরী হলো কেন? কতক্ষন ধরে অপেক্ষা করছি।
-- জ্যামে আটকে গেছিলাম।
-- জ্যামে নাকি অন্য মেয়ের সাথে ছিলে, যাকগে এত ভয় কিসের?
-- না না ভয় কিসের?
--তাহলে বন্ধুদের নিয়ে আসতে কেন হলো?
-- না ওরা এমনি আসছে।
`
রিয়া একটু দুরে যেতে বলল আমায়। দুজন মুখোমুখি দাড়িয়ে চুপচাপ। এই প্রথম খানিকটা লজ্জ্বায় মাখা মুখ দেখতে পাচ্ছি রিয়ার। সাথে ঠোটের আড়ালে হাসি। একটু লাজুক কন্ঠে বলল,
-- সত্যি ভালবাসো, নাকি ভাওতাবাজি?
`
একটু লজ্জ্বা পাইলাম, মাথা নিচু করে উত্তর দিলাম,
-- জানিনা,,,,,,,
-- আমি তোমার সিনিয়র না?
-- জ্বী।
-- বেয়াদব!! এসব কি তাহলে?
-- খুব স্বপ্ন দেখা হচ্ছে আমায় নিয়ে?
-- জ্বী না, মানে,,,
-- আবার কথা বলে বেয়াদব।
`
কপাল বেয়ে ঘাম ঝরছিল। খুব খারাপ অনুভব করছিলাম। নিচের দিকে তাকিয়ে রইলাম। কপালের মাঝে কারো হাতের ছোয়া অনুভব করলাম। কে যেন ঘামটুকু মুছে দিচ্ছে। মুচকি তৃপ্তির হাসি হেসে কেউ একজন বলছে,
-- এই বোকা ছেলে, এভাবেই সারাজীবন ভয় পাবে আমাকে, ওকে? সারাজীবন আমাকে অনেক মুল্য দিবে। আমার শাসনে থাকবা, ঠিক আছে?
Atikur R Akash

যে মেয়েটার সঙ্গে রাগ করে
একরাত কথা বলি
নাই এই জন্য ২৩২ টা কল আর ৫৭ টা
ম্যাসেজ সেন্ড করে সেই
মেয়েটা রাতের পর রাত আজ
আমায় ভুলে থাকতে
পারছে এটাই বাস্তবতা ।
.
একটা ম্যাসেজের উত্তর দিতে
দেরি হলে যে
মেয়েটা রাগারাগি করে
অবস্থা খারাপ করে ফেলত
সেই মেয়ের ম্যাসেজ আজ ১বছর হল
পাইনা
এটাই বাস্তবতা ।
.
এক বছর আগেও আমাদের মধ্যে দুরত্ব
ছিল অনেক
কিন্তু মনের দিক থেকে সেটা
কয়েক হাত কিন্তু
এখন আমি কোথায় আছি সেই কথা
মেয়েটা মনে
হয় একবারও ভাবে না । এটাই
বাস্তবতা ।
.
এক বছর আগেও মেয়েটা বলত তার
নাকি ঘুম
আসত না সে চলে যাওয়ার পর আজ
সে
শান্তিতে ঘুমায় কিন্তু আমার
চোখে ঘুম নেই ।
এটাই বাস্তবতা ।
.
এক বছর আগেও মেয়েটা
পড়াশোনা বাদ দিয়ে
আমার একটা কল কিংবা একটা
ম্যাসেজের
আশায় ফোন সামনে নিয়ে বসে
থাকতো তাই
আমি মাঝেমধ্যে ভয় দেখাতাম
যে আর
যোগাযোগ করব না মেয়েটা
কেঁদে দিত ! কিন্তু
আজ তাকে আর ভয় দেখাতে হয় না
দিনের পর
দিন যোগাযোগ না করেই আছে
মেয়েটা আর
কাঁদে না
এটাই বাস্তবতা ।
.
যে মেয়েটা আমায় পাওয়ার জন্য
পিচ্চি মেয়ের
মত হয়ে আমার সব কথা মানতে
রাজি সেই
মেয়েটাই আমায় ভুলার জন্য আমার
কান্না ভেজা
অনুরোধ অগাহ্য করে
এটাই বাস্তবতা ।
সত্যিই বাস্তবতা এতো কঠিন যে
বুকের মাঝে তিলে তিলে
গড়া স্বপ্ন গুলো এক নিমিষেই
ভেংগে চুরে চুরমার হয়ে
তুমি প্রতিদিন
Akash

ব্রেকিং নিউজ ▒▒▒▒▒▒▒█
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে
বাংলাদেশকে ১৭১ রানের টার্গেট দিয়েছেন
জিম্বাবুয়ে দল
====(আপনার মতে কোন দল জিতবে)====

ক্রিকেটে শুন্য রানে আউট হলেই তাকে আমরা ডাক বলি। তবে এই ডাক এর বিভিন্ন ক্যাটাগরি আছে। তার ভিতরে ডায়মন্ড ডাক অন্যতম। যদি কোনো ব্যাটসম্যান কোনো বল মোকাবেলা না করে ০ রান করে আউট হয় সেটা হচ্ছে ডায়মন্ড ডাক।
ওডিআই ক্রিকেটে ১২৩ জন ক্রিকেটার ১৩৯ বার এই ডায়মন্ড ডাকের শিকার হয়েছে। আজ ১২৪ তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৪০ তম বারের মত এই ডায়মন্ড ডাকের শিকার হলেন জিম্বাবুয়ের ওপেনার সলোমন মিরে।
ওডিআই ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ৪ বার এই ডাকের শিকার হয়েছেন ওয়াশিম আকরাম। ভারতের জহির খান এই ডাকের শিকার হয়েছে ৩ বার! তাছাড়া ১১ জন ক্রিকেটার ২ বার করে এই ডাক মেরেছেন। তারা হচ্ছেন ড্যানিয়েল ভেট্টরি, সাইদ আনোয়ার, মুরালিধরন, মিসবাহ উল হক, মালিঙ্গা, গুস লগলে, রমেশ কালউইথারানা, ইয়ান হিলি, স্টিফেন হারমিসন, গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ও আজহার মাহমুদ।
এই পর্যন্ত বাংলাদেশের ৭ জন ক্রিকেটার এই ডাকের শিকার হয়েছেন। তারা হলেন আকরাম খান, এনামুল জুনিয়র, হাবিবুল বাশার, নাইমুর দুর্জয়, জুনায়েদ সিদ্দিকী এবং নাইম ইসলাম। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে এই পর্যন্ত ওডিআই ক্রিকেটে ৭ জন ক্রিকেটার এই ডাকের শিকার হয়েছেন। তারা হচ্ছেন নভজিৎ সিং সিধু, গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, মার্টিন সুজী, ইউনিস খান, সানাৎ জয়সুরিয়া, জুনাইদ খান এবং সলোমন মিরে।
উল্লেখ্য ১৯৮০ সালে ৬'ই ডিসেম্বর প্রথমবারের মত এই আউটের শিকার হন ভারতের রজার বিন্নী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্নে। আজ সলোমন মিরের আগে শেষবারের মত এই আউট হন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমার ২০১৭ সালের ৬'ই জুন।

Innings Break
ZIM - 170-all out (49.0 Ovs)
CRR: 3.47
Batting R(B) 4s 6s SR
Jarvis* 4 (10) 0 0 40
Bowling O M R W
Rubel 5 0 24 2

Bangladesh opt to bowl
ZIM - 167/9 (48.0 Ovs)
CRR: 3.48
Batting R(B) 4s 6s SR
Jarvis* 3 (7) 0 0 42.86
Muzarabani 0 (2) 0 0 0
Bowling O M R W
Mustafizur 9 1 27 1

Bangladesh opt to bowl
ZIM - 137/6 (40.5 Ovs)
CRR: 3.36
Batting R(B) 4s 6s SR
Moor* 15 (38) 0 0 39.47
Cremer 4 (7) 0 0 57.14
Bowling O M R W
Mortaza 8.5 0 21 1
Partnership: 6(10)
Last wkt: Sikandar Raza run out (Shakib/Rahim) 52(99)

^"" I Love you""^__নামক সফ্টওয়ারটা সবার
জীবনে Support
করে না...

অনেকের জন্যই খুব উপকারে আসবে..
ময়মনসিংহ থেকে বিভিন্ন জায়গায় আসা ও যাওয়ার ট্রেনের সময়সূচি.......
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সময়সূচি
১) ভোর ৪:৩৫- যমুনা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
২) ভোর০৫:৩০- ভাওয়াল এক্সপ্রেস
৩) সকাল ৭:৩৩- জামালপুর কমিউটার
৪) সকাল ৯: ১০- ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
৫) সকাল ৯:২৫- ডেমু কমিউটার (জয়দেবপুর পর্যন্ত)
৬) সকাল ১১:০০- হাওর এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
৭) দুপুর ১:৪৫- বলাকা কমিউটার
৮) বিকাল ৩:৩৩- দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার
৯) বিকাল ৫:১০- তিস্তা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
১০) সন্ধ্যা ৫:২২- মহুয়া কমিউটার
১১) রাত ৭:১৫- অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
১২) রাত ৩:০২- মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস (আন্তঃনগর)

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সময়সূচি
১) ভোর ৪:৩৫- যমুনা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
২) ভোর০৫:৩০- ভাওয়াল এক্সপ্রেস
৩) সকাল ৭:৩৩- জামালপুর কমিউটার
৪) সকাল ৯: ১০- ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
৫) সকাল ৯:২৫- ডেমু কমিউটার (জয়দেবপুর পর্যন্ত)
৬) সকাল ১১:০০- হাওর এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
৭) দুপুর ১:৪৫- বলাকা কমিউটার
৮) বিকাল ৩:৩৩- দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার
৯) বিকাল ৫:১০- তিস্তা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
১০) সন্ধ্যা ৫:২২- মহুয়া কমিউটার
১১) রাত ৭:১৫- অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস(আন্তঃনগর)
১২) রাত ৩:০২- মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস (আন্তঃনগর)

বিমানবন্দর থেকে ময়মনসিংহ গামী ট্রেনের সময়সূচি
১) ভোর ৫:১০-বলাকা কমিউটার,
২) সকাল ৬:০৫- দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার,
৩) সকাল৭:৫৫- তিস্তা এক্সপ্রেস,
৪) সকাল ৮:৪৫- মহুয়া কমিউটার,
৫) সকাল ১০:১০-অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস,
৬) দুপুর২:৪৫-মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস,
৭) বিকাল৪:০৫- জামালপুর কমিউটার,
৮) বিকাল৫:০৫- যমুনা এক্সপ্রেস,
৯) সন্ধ্যা ৬:২৫- ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রস,
১০) রাত৯:৫৫-ভাওয়াল এক্সপ্রেস,
১১) রাত১২:১৫-হাওর এক্সপ্রেস।

(যারা কমলাপুর থেকে আসতে চাচ্ছেন এই সময় থেকে ৩০মিঃ বিয়োগ করে নিয়েন)

ময়মনসিংহ – নেত্রকোনা
৭৭৭ হাওর এক্সপ্রেস রাত ৩.২০ মিনিটে
২৬২ লোকাল সকাল ৬.০০ মিনিটে
৪৩ মহুয়া কমিউটার দুপুর ১২.৩২ মিনিটে
২৬৪ লোকাল দুপুর ২.৩০ মিনিটে
৭৮৯ মোহনগন্জ এক্সপ্রেস বিকাল ৫.২৫ মিনিটে

নেত্রকোনা -ময়মনসিংহ
হাওর এক্সপ্রেস সকাল ০৯:২৩
মহুয়া কমিউটার বিকাল ০৪:০৭
মোহনগন্জ্ঞএক্সপ্রেস রাত ১২:৩৫

কিশোরগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ
০১:১০ মেইল
০৮:৩৫ লোকাল
১৩:২৩ বিজয়
১৬:৩০ লোকাল
১৮:০২ ঈশা খা

ময়মনসিংহ হতে কিশোরগন্জ
সকাল ৬.৪৫ মিনিটে ৩৮ ডাউন
সকাল ৮.০০ মিনিটে ২৪২ ডাউন
দুপুর বারটায় ঈঁশাখা এক্সপ্রেস
বিকাল ৫.৫০ মিনিটে ২৪৪ ডাউন
রাত ৮.০০ মিনিটে বিজয় এক্সপ্রেস

ময়মনসিংহ – চট্টগ্রাম মঙ্গলবার ব্যাতিত প্রতিদিন রাত ৮.০০ মিনিটে।
চট্টগ্রাম- ময়মনসিংহ বুধবার ব্যাতিত সকাল ৭:২০ এ ছাড়ে...

Bangladesh opt to bowl
ZIM - 103/5 (31.0 Ovs)
CRR: 3.32
Batting R(B) 4s 6s SR
Raza* 35 (69) 1 2 50.72
Moor 6 (16) 0 0 37.5
Bowling O M R W
Sunzamul Islam 9 0 26 1

Ban vs ZIM INPROGRESS
Zimbabwe 51/4 (16.4 ov)
Bangladesh opt to bowl

এইমাত্র খবর ▒▒▒▒▒▒▒█

█▒▒▒▒▒ ক্রিকেট আলাপ ▒▒▒▒▒█
কুয়াশার কারণে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজ
ম্যাচ গুলোর সময় দাওয়া হয়েছিলো দুপুর ১২
টায়। এখন সেটা ১২ টার জায়গায় হবে দুপুর ১
টায়

ওহে বালিকা.....
তুমি যদি অক্সিজেন হও,
তবে আমি হব হাইড্রোজেন!

তোর চোখের দিকে তাকাতেও ভয় লাগে।
তোর হাসি দেখলে দিলে টান লাগে।
তোর চেহারা দেখলে নতুন করে প্রেম জাগে।

শীতকাল কাকে বলে?
ফ্যানের সাথে ব্রেকআপ করে,
কম্বলের সাথে টাঙ্কি মেরে,
লেপের সাথে রিলেশন করাকে শীতকাল বলে!

*** কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জানুয়ারি ২০১৮***.
.
সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর আন্তর্জাতিক বিশ্ব.
.
.
**** আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ------- সিরিল রামাফোসা
**** IMCTC এর সদস্য দেশ------৪১ টি
**** Hwasong - 15 নামের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশ ---- উত্তর কোরিয়া
**** বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুর নাম---- Hong kong Zhuhai- Macau Bridge
**** ২৯ তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কবে, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে ---- ১১-১২ জুলাই ২০১৮,ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
**** ২০১৮ সালের ইসলামী সাংস্কৃতিক রাজধানী কোন গুলো------ আল মুহারাক( বাহরাইন) , নাখছিভান ( আজারবাইজান) , ও লিব্রেভিল ( গ্যাবন)
**** ২০১৭ সালে টাইমের person of the year মনোনীত হন ----- সাইলেন্স ব্রেকারস
**** অক্সফোর্ড ডিকশনারির ২০১৭ সালের বর্ষসেরা শব্দ হল-------- youthquake ( তারুণ্যকম্প)
**** সর্বশেষ কোন দেশকে পোলিওমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা --------- গ্যাবন
**** ১ জানুয়ারি ২০১৮ কোন ৫ টি দেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে------------ আইভরিকোস্ট, নিরক্ষীয় গিনি, পেরু, কুয়েত ও পোল্যান্ড

ঠকতে ঠকতে একদিন বোকা মানুষটি ও
বুঝতে শিখে...!
কে তাকে ব্যবহার করে, আর কে তাকে
ভালবাসে...😊😆!!

বিয়ের আগে ছেলেরা - হ্যালো জান! কি করো
…?
মেয়ে: এই তো রান্না ঘরে আম্মুকে একটা
পেঁয়াজ কেটে দিচ্ছি।
ছেলে: একি করছো তুমি? তুমি রান্না ঘরে
ঢুকেছো! প্লিজ তুমি আর রান্না ঘরে যাবা না,
আগুনের তাপে তোমার ত্বক নষ্ট হয়ে যাবে।
আর শোনো তুমি আর কখনো পেঁয়াজ কাটবানা।
তোমার চোখের পানি আমি সহ্য করতে পারবো
না।
.
বিয়ের পরে ছেলেরা - বাহ! জমিদারের বেটির
দেখি এখনো ঘুম থেকে উঠার নামই নেই। বলি
পড়ে পড়ে ঘুমালে আমার নাস্তাটা কে তৈরি করে
দেবে?
মেয়ে: আজকে বুয়া আসে নি। আজকে বাইরে
নাস্তা করে নিও।
ছেলে: বুয়া আসে নি বলে না খেয়ে থাকতে
হবে নাকি। যাও পেয়াজ বেশি করে দিয়ে আমার
জন্য একটা ডিম ভেজে নিয়ে আসো।
----------------------
বিয়ের আগে ছেলেরা - খাইতে ফোন ,বসতে
ফোন , ঘুমাইতে ফোন , উঠতে ফোন খালি
ফোন আর ফোন । পোলার বাপের মনে হয়
SIM কোম্পানী আছে । এটা করি ঐ টা করি সব
কইতে হইব । মনে হয় টয়েলেট করলে ও
ফোন দিয়া কয় মাএ টয়লেট করলাম
.
বিয়ে পরে ছেলেরা - অফিস টাইমে ফোন
করে সারাদিন কাউয়ার মত কা-কা করো কেন? একটু
চুপ থাকতে পারো না। প্রতিদিন এক প্রশ্ন কেন
করো? আমি তো ভালো আছি , নাকি?? মরে
গেলে তো নিউজ পাবাই ।
-----------------------
বিয়ের আগে ছেলেরা - শুনো, তুমি কিন্তু আমার
অনেক টেক কেয়ার করতে হবে। আমাকে তুমি
শাসন করবে। এতদিন ধরে বেলাইনে চলা
ছেলেটাকে লাইনে তোলা তোমার দায়িত্ব ,
ছন্নছাড়া জীবনকে চোখ রাঙ্গানি দিয়ে রুটিন
লাইফে ফিরিয়ে আনবে ।। কি পারবে না??
.
বিয়ের পর ছেলেরা - সবসময় এতো শাসন করো
কেন ... উহ্ তুমি আমার লাইফটা পুরো হেল করে
দিচ্ছো... ডিসগাস্টিং।
------------------------
বিয়ের আগে ছেলেরা - তোমার দিকে যতই
তাকাই ততই তাকাতে ইচ্ছে করে। কী যেন
আমাকে টানে চুম্বকের মত। এই টানের রহস্য
আমি বুঝিনা। কিন্ত যতই তাকাই ততই ভাল লাগে। এমন
কী আছে তোমার মাঝে যা আমাকে টানে?
.
বিয়ের পরে ছেলেরা - আমি কি তোমার দিকে
সারাদিন তাকায় থাকবো নাকি .. তোমার কি রুপ যৌবন
বের হইছে?
প্লিজ, আমার জানটা কয়লা করো না !!
--------------------
***আমাদের ৭০% পুরুষ এর বিয়ের পর এমন আচরণ
হয়ে যায়।....

অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবেঃ
==============================
===============
# কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
# দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
# দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
# মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
# ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
# অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
# মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
# দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
# গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
# ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।
ভালো লাগলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।।
প্রতিদিন ডাক্তারি সকল প্রকার সেবা পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন।

জনস্বার্থে আমাদের পোস্ট গুলো লাইক , কমেন্টস ও শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকুন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ডাক্তার পেজে লাইক দিয়ে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরামর্শ। বেঁচে থাকুন সুস্থ ও সুন্দর ভাবে।

ধন্যবাদ

Facebook photo

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রশ্ন হল: সেটা কোথায়?
ক. তেঁতুলিয়া
খ. টেকনাফ
গ. পঞ্চগড়
ঘ. রাজশাহী লাল খাল

১. মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে,
আমি তো মিষ্টি খাই না। তাই এতে ভেজাল করলে আমার কোন সমস্যা নাই।
.
২. বেকারির মালিক মনে করে,
আমিতো বিস্কুট খাই না। তাই পঁচা ডিম-ময়দা দিয়ে বানালে আমার কোন সমস্যা নাই।
.
৩. ফল বিক্রেতা মনে করে,
আমিতো ফল খাই না। তাই কেমিকেল মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
.
৪.মাছ বিক্রেতা মনে করে,
আমিতো ফরমালিনযুক্ত মাছ খাই না। তাই ফরমালিন মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।
----------------------------------------------------------------
দিনের শেষে-
১. মিষ্টি বিক্রেতা মিষ্টি বিক্রি করে বিস্কুট, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
২. বেকারির মালিক বিস্কুট বিক্রি করে মিষ্টি, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৩. ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করে মিষ্টি, বিস্কুট, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
৪. মাছ বিক্রেতা মাছ বিক্রি করে ফল, বিস্কুট, মিষ্টি কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
--
সবাই মনে মনে নিজেকে অনেক চালাক ভাবে;
অনেক লাভ করেছে ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে।
আসলে তারা যে নিজেরাই নিজেদের ঠকাচ্ছে, ক্ষতি করছে তা ভাবতেও পারেনা।
*** আমার পোষ্ট যদি আপনাদের সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকে, তবে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন
এবং কমেন্টে অন্তত একটা জানাইয়েন........
আপনাদের সুখী জীবনই আমার কাম্য।
ধন্যবাদ।
√ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন.. T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir).. আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।
.........ধন্যবাদ

মেয়ে- ফোন দিসিলাম রিসিভ করো নাই কেন?
ছেলে- আজকে ঠান্ডা কম তাই গোসলে গেছিলাম,
মেয়ে- আমাকে না বলে তুমি গোসলে গেছো কেন?
ছেলে- অদ্ভুত আজকে ঠান্ডা কম তাই গেছি.
মেয়ে- কথা বলবা না আর আজ থেকে ব্রেকআপ 😒😒
এরকম শত শত ঘটনা ঘটছে
তাই সাবধান থাকবেন,গোসলে যাওয়ার আগে
গফ/বফ রে সর্বশেষ আপডেট দিয়ে যাবেন 😊

-বল্টু, এদিকে আয়।

-কিও, ডাহেন কেরে?

-তোর বয়স কত?

-১০।

-পেট থেকে বাইর হইছস শুক্কুরে শুক্কুরে আষ্টদিন! তুই নাকি মেয়েদের প্রেমের প্রপোজ দেস?

-আগিল্লাযুগের লোক আফনে! হুনেন মিয়া, প্রেম মানে না বয়স! ইয়ে দিল আওয়ারা, পাগাল, দিওয়ানা... 😎😎😎 (বলেই ভোঁ দৌড়)

-হায়রে কলিযুগ আইসা গেছেরে! (বিড়বিড় করতে করতে বাড়ির পথে)

৬০% প্রেমিক প্রেমিকা রা প্রেমে সফল না হলেও বিয়ার পর পরকীয়ায় সফল হয় 😆😜

বাংলাদেশের কোন জেলার ছেলেদের নাম শুনলে বাকি ৬৩ জেলা ভয়ে কাঁপে??✌✌

ভাইয়া বলে নক দেয়া ৮০% মেয়েগুলোকে কিছুদিন পর নক দেয়া ছেলেটার সাথে হুডতোলা রিক্সায় একসাথে দেখা যায়! 😂👌

দোস্ত শুনছিস আজকে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি। এত শীতে ঐখানের মানুষ বেঁচে আছে ক্যামনে??
- তো কি হইছে.... কলেজের অনেক পরীক্ষায় এর থেকেও কম পয়েন্ট নিয়ে আমি তো এখনো বেঁচে আছি!!
😂😂😂

ভালোবাসা মানে কাউকে জয় করা
নয়,
বরং নিজেই কারো কাছে হেরে
যাওয়া।
এটা জ্ঞানের গভীরতা দিয়ে
হয়না!
হয় হৃদয়ের পবিত্রতা দিয়ে।।

আমি যদি মরে যায়
তোমার আগে
এক মুঠো মাটি দিও
বন্ধুত্বের টানে
সবাই যদি কাটা দেয়
তুমি দিও ফুল
তখন আমি বলতে পারবো
বন্ধু চিনতে করিনি ভুল
**********************

বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগের মধ্যে আপনি কোন বিভাগের ?আসুন পরিচিত হই। আমি রাজশাহী ।
১ : রংপুর
২ : রাজশাহী
৩ : ময়মনসিংহ
৪ : সিলেট
৫ : ঢাকা
৬ : খুলনা
৭ : বরিশাল
৮ : চট্টগ্রাম

>> এই যে নবাব সাহেব।
তুমি আর কত ঘুমাবে। কত সকাল হইছে একবার উঠে দেখ।
>> ওই তুমি এতো ডাকাডাকি কর কেন।
আজ তো অফিস বন্ধ। একটু শান্তিতে ঘুমাই।
>> মামার বাড়ির আবদার। ঘুমানো চলবে না। বাসায় আনাজপাতি কিছু নাই। যাও বাজার করে নিয়ে আসো।
>> আচ্ছা তুমি কখনও মানুষ হবে না। সারাজীবন এভাবে ওই রয়ে যাবে। সকাল হলেই শুধু ডাকাডাকি।
>> শুনো কম কথা বলে উঠো।
সুস্মিতা বলতে লাগলো
বাবা তুমি আমাকে কার কাছে বিয়া দিলা।
>> কেন কি হয়েছে গো?
>> কি হয়েছে আবার বলছ?
আমি ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না। ভালো খাট নাই। বাসায় ভালো চেয়ার টেবিল নাই। আমি ঠিক মতো খেতে পারি না।
>> হা রে কি কষ্ট।
সপ্তাহে কয় বার বাজার করি তুমি বলতো?
আর বাসায় এতো ভালো ভালো খাট আছে। চেয়ার টেবিল আছে। আর কি লাগে তোমার?
>> পাশের বাসার আপুর চেয়ার টেবিল দেখছ?
কত সুন্দর। আমাদের ওই রকম চেয়ার টেবিল বাসায় আনতে হবে।
>> শুনো আমার বেতন মাএ ২০ হাজার টাকা। তা দিয়ে কোনো মতে আমাদের সংসার খরছ চলে। আর তুমি বলছ এসব আনতে। জানো এসবের দাম কত টাকা?
>> আমি এতো কিছু বুঝি না। আমাদের বাসায় এ সব কিছু চাই।
আর শুন বাজার করতে যাও।
>> আগে কিছু নাস্তা করি।
>> না ।
বাজার থেকে এসে নাস্তা করবে।
>> এই তুমি কি আমাকে না খাইয়ে মারতে চাও নাকি?
>> জ্বী না।
তুমি এমন কর কেন? তুমি আমার কোনো কথা ওই শুনো না। যাও বাজারও করতে হবে না।
>> আরে যাচ্ছি বাবা।
.
>> এই যে শুনছো?
বাজার নেও। আমি গোসল করতে গেলাম। তুমি আমার জন্য খাবার রেডি করে টেবিলের মধ্যে রাখো।
.
সুস্মিতা বাজারের ব্যাগে বাজার দেখার পর রাগে গজগজ করতে করতে রান্নাঘরে গেল।
গিয়ে রাগের মাথায় নাস্তার মধ্যে লবণ বেশি দিল। তারপর টেবিলের মধ্যে নাস্তা রেখে গেল।
আবির কিছু সময় পর টেবিলে মধ্যে বসে নাস্তা করতে শুরু করল। কিন্তু আবির খাবারের মধ্যে বেশি তিতা থাকার পরও সব খাবার খেয়ে ফেলল। কারণ আবির জানে টাকা রুজি করা কত কঠিন। এতো সহজ নয় টাকা রুজি করা। যারা অনেক টাকার মালিক তারাও জানে। টাকা কি জিনিষ।
আবির এসব চিন্তা বাদ দিয়ে একটা সিগারেট নিয়ে ছাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে সিগারেট টেনে যাচ্ছে। কিন্তু সুস্মিতা কেন এমন করছে আবির কিছু বুঝতে পারল না।
তাই আবির ছাদে কিছু সময় থাকার পর সুস্মিতার কাছে গেল। গিয়ে জিজ্ঞাস করল...
>> সুস্মিতা তুমি এমন করতাছ কেন?
খাবারের মধ্যে লবণ বেশি দিচ্ছ। ঠিক মতো কথা বলছো না।
>> আমি তোমার সাথে কথা কেন বলব?
তুমি আমার কোনো কথা ওই শুনো না।
এমন কি আজ কি ছিল তাও তুমি জানো না।
>> আরে বাবা আজ কি ছিল তা তো তুমি বলবে নাকি?
>> আমি কেন বলব?
তুমি জানো না। তুমি জানবে কেন?
আমি কে তোমার। আমি একটা কাজের মেয়ে। সারাদিন আমি শুধু রান্নাবান্না করি। এইটাই আমার কাজ। তোমার জামাকাপড় পরিষ্কার করা। তোমার জন্য সকালের নাস্তা তৈরি করা। নাস্তা তৈরি করে তোমাকে ঘুম থেকে তোলাও আমার কাজ।
>> এই একটাই মেয়েদের কাজ।
কিছু হলেই কান্না করতে করতে চোখের পানি আর নাকের পানি এক হয়ে যায়। আরে বাবা আমি সারাদিন কাজের চাপে থাকি তাই মনে নেই আজ কি ছিল।
প্লিজ বলো না?
আজ কি ছিল।
>> আজ আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী ছিল।
যাও আমার কাছ থেকে যাও। আমি কাল আমার বাবার বাড়ি চলে যাব। যে মানুষ পরিবারের মানুষের কথা চিন্তা করে না তার সাথে থাকা যায় না।
>> ও বাবা। এ কি বলছো।
তুমি ছাড়া আমার কে আছে। তুমি ওই তো আমার সব চাওয়া পাওয়া। তোমাকে নিয়ে কত স্বপ্ন দেখি। আর তুমি বলছ আমাকে ছেড়ে যাবে।
>> আমি যাব ওই তো।
তুমি আমাকে কত টুকু ভালোবাস তা আমি জানি। আমার জন্য কাল বাসের টিকেট কেটে রেখো। আমি কাল ওই চলে যাব। আমার এ রকম ভালোবাসার কোনো দরকার নাই।
>> আমি তোমাকে ভালোবাসি না বুঝি?
আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
প্লিজ যেও না সুস্মিতা। আমি একা হয়ে যাব।
.
কোনো কথা না বলে সুস্মিতা চলে গেল।
আবির বুঝতে পারল না। এ সাধারণ বিষয় নিয়ে সুস্মিতা এমন করল।
.
সকাল বেলা আবির দেখতে পেল কেউ তাকে ডাকছে না। অনেক সকাল হয়ে গেছে প্রায় ১০ টা। অফিসের অনেক দেরি হয়ে গেল। কিন্তু সুস্মিতা কোথায়?
সুস্মিতাকে অনেক ডাকাডাকি করার পর আবির দেখতে পেল টেবিলের মধ্যে একটা কাগজ। আবির সেটা হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করল। কাগজের মধ্যে লেখা তুমি আমার কোনো ইচ্ছা ওই পূরণ কর নি।
তুমি যদি নতুন চেয়ার টেবিল এসব কিছু নতুন কিনে না আনো তাইলে আমি বাসায় যাব না।
.
আবির সুস্মিতার ব্যবহারে মনে মনে অনেক কষ্ট পায়। আবির প্রত্যেকদিন দিন অফিস থেকে আসার পর সুস্মিতার জন্য ফুল নিয়ে আসতো। আইসক্রিম নিয়ে আসতো। কিন্তু এসব কিছুই ভালোবাসার অংশ ছিল না। আবির এখন বুঝতে পারল। কাকে এতো ভালোবাসতো। তাই আবির সব কিছু ভুলে যায়। সব স্মৃতি মুছে ফেলে। সুস্মিতাকে শাস্তি পেতে হবে।
.
আবির সুস্মিতাকে ফোন দিয়ে বলে আমি বাসার সব কিছু পরিবর্তন করেছে। তুমি এবার চলে আসো।
সুস্মিতা বাসায় এসে দেখে সব কিছু নতুন। সুস্মিতা অনেক খুশি। সুস্মিতা আবির আসতেই আবির কে গিয়ে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু আবির কোনো কিছু না বলে তাকে ছাড়িয়ে তার রুমে গিয়ে শুয়ে পড়ে।
সকাল বেলা আবির নাস্তা না করেই অফিস চলে যায়। সুস্মিতা ফোন দিলে আবির ফোন ধরে না। ফোন ধরলে শুধু উত্তর দেয়। তারপর রেখে দেয়।
.
রাতে আবির অফিস থেকে কালি হাতে বাসায় আসে। কিন্তু সুস্মিতা ভাবলো আবির তার জন্য আইসক্রিম ও ফুল নিয়ে এসেছে কিন্তু তার কিছু ওই আবির আনে নি।
সুস্মিতা মন খারাপ করে বলে...
>> তুমি আমার জন্য ফুল ও আইসক্রিম আনো নি কেন?
আর তুমি আমাকে এড়িয়ে চলছ কেন?
>> কই না তো।
আর ফুল ও আইসক্রিম আনতে মনে নেই।
অনেক ক্লান্ত লাগছিল তাই তাড়াতাড়ি বাসায় চলে এসেছি।
>> আচ্ছা তুমি খাবারের টেবিলে বসো আমি তোমার জন্য খাবার রেডি করতাছি।
আজ কিন্তু তোমার প্রিয় খাবার রান্না করছি।
>> আমি বাহিরে খেয়ে এসেছি। এখন ডিনার করব না। তুমি খেয়ে নিও।
>> তুমি বাহিরে খেয়ে এসেছো কেন ?
কোনো দিন তো বাহিরে খেয়ে আসো না।
>> এক বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছিল। সে অনেক জোরাজোরি করে তাই খেয়ে এসেছি।
>> ও আচ্ছা।
.
এভাবে প্রায় ৫ দিন চলতে থাকে।
একদিন আবির অফিসের কাজ করতাছে। এমন সময় আবির দেখতে পেল সুস্মিতা কান্না করতাছে। সুস্মিতা কাছে গিয়ে আবির বসলো। আবির জিজ্ঞাস করল কান্না কর কেন?
>> তাতে তোমার কি?
তুমি আমাকে এখন আর আগের মতো ভালোবাস না। ভালোবেসে ফুল ও আইসক্রিম নিয়ে আসো না। বাসায় এসে আমার সাথে কথা বলো না।
>> আমার ভালো লাগে না।
তাই তোমার সাথে কথা বলি নি না।
>> ও এখন আমি পুরান হয়ে গেছি।
আমাকে কেন ভালো লাগবে। আমি বাসায় একা একা থাকি। সে দিকে তোমার কোনো খেয়াল নাই।
>> তোমার নতুন নতুন চেয়ার টেবিল আছে না। বাসার মধ্যে সব নতুন নতুন দামী জিনিষ। তাদের সাথে কথা বলো।
তারা দেখতে কত কিউট। একেকটার গায়ের রং কত সুন্দর। ওয়াও।
>> আমার এসব দরকার নাই। যেখানে তুমি নাই। সেখানে আমি এসব রেখে কি করব?
>> আরে আমাকে নিয়ে তুমি কি করবে।
আমি একজন অগোছালো মানুষ। তুমি বরং এদের নিয়ে ওই ঘর সংসার করো।
আমি গেলাম অফিসের অনেক কাজ জমে আছে।
.
বিকাল বেলা ছাদের মধ্যে বসে আবির আকাশ টা দেখতে লাগলো। আকাশ টা খুব সুন্দর।
কিন্তু হঠাৎ কারো হাতে স্পর্শ পেল। কে আর হবে। ওই টা হলো সুস্মিতা। আবির সুস্মিতা কে বেশি শাস্তি দিয়ে ফেলেছে । এবার মাফ করে দিতে হবে। নইলে বেশি হয়ে যাবে। আরে আবির এ কি দেখতে পেল। সুস্মিতা আবির পা ধরে মাফ চাচ্ছে। বলছে আমাকে মাফ করে দেও। আমি বুঝতে পারি নি। আর বলছে.....
>> তোমাকে ছাড়া আমার কিছু ভালো লাগতাছে না। যেমন ধম বন্ধ হয়ে আসছে। খুব একা একা লাগে নিজেকে।
>> আচ্ছা ঠিক আছে বাবা।
পা টা এবার ছাড়। জানো সুস্মিতা তোমাকে আমিও খুব মিস করি। সকাল বেলা যখন রাগ করে না খেয়ে অফিস চলে যেতাম তখন পেটের মধ্যে অনেক খিদা লাগতো। তবুও সহ্য করতাম। কারণ তুমি তো আমাকে ভালোবাস না। আমি শুধু একা একা তোমাকে ভালোবাসি।
>> তুমি মিথ্যা বল কেন?
(কান্না করে)
আমি তাইলে কাকে ভালোবাসি। তুমি আমার প্রথম ভালোবাসা। তোমাকে ছাড়া আমি কাউকে কল্পনা করতে পারি না। আর তুমি এসব বলছ।
>> আরে তুমি কান্না কর কেন?
আমি কিন্তু মজা করে বললাম। আসলে তুমি কান্না করলে কিন্তু তোমাকে দেখতে শেওড়াগাছের পেত্নীর মতো লাগে।
>> ও আমি পেত্নী।
তাতে তোমার কি?
তুমি শুধু আমাকে কষ্ট দিতে জানো। আর কিছু করতে পার না।
>> কে বলছে?
আমি তোমাকে ভালোবাসি না।
>> তাতো আমি জানি।
কত টুকু ভালোবাসো আমাকে।
>> এবার কিন্তু তুমি বেশি করে ফেলছ।
আমি তোমাকে ভালোবাসি না?
>> আমি মজা করলে সব দোষ আমার।
আর তুমি মজা করলে কোনো দোষ নাই।
তুমি একেবারে নির্দোষ।
>> সুস্মিতা আজ কিন্তু আকাশে ছাদ অনেক সুন্দর উঠছে।
>> তাইতো। আচ্ছা আমাকে মাফ করে দিয়েছ তো?
>> দিয়েছি বাবা।
সুস্মিতা তোমার হাত টা দেও তো।
তারপর তারা দু'জন দু'জনের হাতে হাত রেখে আকাশ টা দেখতে লাগলো। আবার তারা দু'জন দু'জনের প্রেমে পড়ল।
.
>> তুমি কোথায়?
দেখে যাও। তোমার জন্য কি নিয়ে এসেছি।
>> কি এনেছ?
ও মা শাড়ী।
কত দাম হয়েছে গো।
>> আরে বেশি না।
৪০০০ টা। আজ অফিসের বস বোনাস বেতন দিয়েছে। তাই ভাবলাম আমার বউ টার জন্য কিছু নিয়ে যাই।
>> তোমার জন্য কিছু আনছ?
>> না। টাকা শেষ হয়ে গেছে।
>> তাইলে আমি এটা পড়ব না।
তুমি এটা ফেরত দিয়ে আসো।
>> আরে বাবা। আমার লাগবে না। আমার তো অনেক কাপড় আছে।
>> তবুও।
তুমি কিছু আনতে পারতে।
>> আচ্ছা আগামী মাসে বেতন পেয়ে আমার জন্য কিছু কিনব। এবার খুশি।
>> খুশি।
জানো আজ না আমি চিংড়ি দিয়ে তরকারি রান্না করছি। তোমার প্রিয় খাবার। খুব মজা হয়েছে।
>> তাইলে আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
তুমি টেবিলে খাবার দেও।
দেখি কি রকম মজা হয়েছে ।
দু'জনের সংসার টা আবার রাগ অভিমানে ভালো ওই চলছে।
.
লেখা : ahmed himu ( অপরিচিতা গল্পের অনুপম)

১টা ছেলে ছ্যাকা খাইছে, তাকে আবার ১টা মেয়ে নিরবে ভালবাসে, কিন্তু বলে না। ছেলেটা বিষয়টা আঁচ করতে পেরে, পোস্ট দিছে-

remembering you দিয়ে

"তোর নিষ্পাপ, অবুঝ হাসি,
নিদারুণ ছলনা,
ভুলা যাবে না, ভুলা যাবে না"

তাৎক্ষণিক মেয়েটি ইনবক্সে লিখলঃ
-আপনি এখনো ঐ মেয়েটিকে ভালবাসেন?
-কেন?
-স্ট্যাটাস দিলেন যে?
-ইচ্ছে হল তাই দিলাম!
-না, দিবেন না, আমার ভাল্লাগেনা, কারণ আপনাকে আমার ভাল....
-আরে কি বলো! আমিতো ঐটা আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লিখছি, পরীক্ষার হলে বসে প্রশ্ন দেখে মনে হইছিল!😜😜😜

তারপর......শুরু একটা গল্প...

Raihanul

আজকের কুইজ"

পৃথিবীতে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত শব্দ কোনটি?

option
1.sorry
2.ok
3.hello
4.right

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক যুবতির গায়ে ঠান্ডা পানি নিক্ষেপ।

🙂

দীর্ঘ ৫ মাস ব্লক থাকার পর BDLove24 এর পেজ আবার ফিরে এসেছে ।।

আশা করি আপনাদের আবার ও ভালো কিছু উপহার দিতে পারব ।

আমাদের সাথেই থাকবেন ।

নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্বটা
নিজেকে নিতে হবে। :p
কারণ,
খারাপ সময় গুলোতে
কেউ পাশে থাকবে না। -_-
Post Credit #Amit
#Post_By_Mukta

যে তোমার অতীতকে মেনে নিয়ে
তোমাকে ভালোবাসবে, আর
বিশ্বাস করবে এবং ভবিষত্ গড়ার
জন্যে তোমার পাশে থাকবে।
সেই-ই হল তোমার সত্যিকারের
ভালোবাসার মানুষ।
#Post_By_Mukta

ভিডিও টা ভালো লাগবেই - চালেন্জ

ভিডিও টা ভালো লাগবেই - চালেন্জ

Posted by BDLove24.Com on Thursday, October 26, 2017

বল্টু : রাতে বিছানায়
শুয়ে সিগারেট
খাচ্ছে
হঠাৎ বল্টুর
মা : পাশের রুম থেকে
বলল বল্টু ধোঁয়া
দেখা যায়
কোথাও আগুন
লাগেনিতো?,
বল্টু: না কয়েল
জ্বালাচ্ছি মা "
মা: কয়েলের গন্ধ
এরকম কেন ?
বল্টু: মা এটা নতুন
কয়েল তাই এ রকম
গন্ধ ।
# মা : বুঝতে পারল এবং
বলল বাবা বল্টু
এ রকম
কয়েল জ্বালাস না
#
বল্টু: কারণটা কি মা
মা: বলল
#
#
#
#
মশার ক্যান্সার হতে
পারে....

পৃথিবীর কোন দেশে কি নিষিদ্ধ :
১) চীনে টাইম ট্রাভেল সংক্রান্ত সিনেমা, শো তৈরি করা এবং দেখানো নিষিদ্ধ।
২) রন্ধন শিল্পের জন্য বিখ্যাত ফ্রান্স। অথচ সেখানে টমেটো কেচাপ নিষিদ্ধ।
৩) সিঙ্গাপুরে ২০বছর ধরে চুইংগাম নিষিদ্ধ।
৪) চীনের আরেক আজব নিষেধাজ্ঞা। অবতার মুভির টুডি ভার্সন সেখানে নিষিদ্ধ। থ্রীডি চলে।
৫) বিশ্বখ্যাত ফাস্টফুড ম্যাকডোনাল্ড ভলভিয়ায় নিষিদ্ধ।
৬) মালয়েশিয়ায় হলুদ রংয়ের কাপড়, জুতো পরিধান নিষিদ্ধ। কারণ সেখানের হলুদ রাজকীয় রং।
৭) সৌদিতে ভেলেন্টাইন ডে নিষিদ্ধ।
৮) ইরানে ওয়েস্ট্রার্ন হেয়ার স্টাইল নিষিদ্ধ।
৯) অস্ট্রেলিয়ায় ছোট বক্ষের নারী পর্নস্টার নিষিদ্ধ।
১০) ভিয়েতনাম, তাজিকিস্তান, তুরস্ক, উত্তর কোরিয়া, ইরান, সাংহাই ছাড়া পুরো চীনে ফেসবুক নিষিদ্ধ।
১১) ডেনমার্কে সরকারের অনুমতি ছাড়া সন্তানের নাম রাখা নিষিদ্ধ।
১২) সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তুর্কমেনিস্তানে ঘোষণা করা হয় রেকর্ড করা গানের সঙ্গে ঠোঁট মেলানো যাবে না। এর পাশাপাশি, অপেরা এবং ব্যালে-র উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
১৩) ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও জাপানে নিষিদ্ধ মাউন্টেন ডিউ। ২০১১ থেকে সোমালিয়ায় নিষিদ্ধ সিঙ্গাড়া। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও রাশিয়ায় নিষিদ্ধ স্যামন মাছ।
১৪) জার্মানি, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইটালি, স্পেনের বার্সেলোনা শহর, সুইজারল্যান্ডের ২৬টি শহর, ব্রিটেনের স্কুলে বোরকা ও নেকাব নিষিদ্ধ।

অল্প দিলে হয়না আবার বেশি দিলে বিষ। এই ধাধার উত্তর কে জানেন?

"একজন ভালো মানুষ চাই"
.
সিরাজ সাহেব মেয়ের বিয়ে দিবেন, পাত্র খোঁজা হচ্ছে। শর্ত হলো চাকুরী, উচ্চতা আর মূল শর্ত হলো মানুষ হিসেবে ভালো হতে হবে। তো সিরাজ সাহেব এ পর্যন্ত যতজন পাত্র দেখেছেন, সবারই ভালো চাকুরী আছে। কিন্তু একজনই ভালো মানুষ নন। এরকম অবস্থা দেখে সিরাজ সাহেব ঘটক কে বললেন,
- কি ব্যপার ঘটক সাহেব? এই দুনিয়াতে কি ভালো মানুষের অভাব পড়ছে নাকি?
- জ্বী জনাব, কিছু মনে না করলে একটা কথা বলি?
- হ্যাঁ বলুন।
- আপনি যেমন ভালো জামাই খুজছেন, তেমনি ভালো জামাইরাও ভালো পাত্রীর সন্ধানে আছেন।
- তারমানে কি বলতে চাচ্ছেন আপনি? আমার মেয়ে কি ভালো নয়? কি নেই ওর? দেখতে সুন্দর, ভদ্র নম্র আর ওর নামে ব্যাংক ব্যালেন্স ও তো কম নেই?
- জ্বী জনাব ভুলত্রুটি মাফ করবেন। আপনার মেয়ের সবকিছুই বেশী আছে, কিন্তু বুদ্ধি একটু কম। আর পরনে পোশাকও কম।
সিরাজ সাহেব থতমত খেয়ে গেলেন। তারপর ঘটক কে বললেন,
- শুনুন ঘটক সাহেব, আপনাকে আরও বেশী টাকা দেবো। আপনি একজন ভালো পাত্র খুজে এনে দিবেন।
- জ্বী জনাব, আমি ঘুষ খাইনা। আমার যতটুকু প্রাপ্য এর বাইরে আর কিছু চাইনা।
- আচ্ছা ঘটক সাহেব, আপনি তো যুবক। ঘটকালি করছেন, বিয়ে করেছেন?
- জ্বী না সাহেব। বিয়ে এখনো হয়নি আমার। (লজ্জা পেয়ে)
- ও আচ্ছা, তাহলে যান। ভালো পাত্রের খোজ করুন গিয়ে।
.
মেয়েপক্ষের কাছ থেকে ছেলেপক্ষের কাছে এলেন ঘটক সাহেব, ছেলের মা বললেন,
- পাত্রী কি পাওয়া গেলো?
- জ্বী একজন আছে, আপনার ছেলের সাথে মানাবে বেশ।
- তাই? পাত্রী রান্না পারে?
- জ্বী পারে। (ছেলেদের মাথার মগজের ভুনা)
- পাত্রী ভদ্র নম্র?
- হ্যাঁ। (এত ভদ্র যে বিছানা থেকে মাটিতে পা পড়েনা, গায়ে একটা ময়লা লাগলেও চেঁচিয়ে ওঠে)
- পাত্রীর আচার ব্যবহার কেমন?
- জ্বী সাক্ষাৎ দেবীর মতো। (শুধু সামনে শ্রী বসিয়ে দিয়ে শ্রীদেবী বানাতে হবে)
এরপর বিয়ে ঠিক হলো, পাত্রের সাথে পাত্রীর বিয়ে হলো। ভালো জামাই পেয়ে সিরাজ সাহেব খুশি, ভালো বউ পেয়ে পাত্রের মা ও খুশি।
দু দিন পর পাত্রীর আসল রুপ যখন সামনে এলো, তখনকার ঘটনাগুলো এরকম।
.
পাত্রের মা বিউটিপার্লারে গেছেন ভ্রুপ্ল্যাক করার জন্য। পাত্রীও গেছে, গিয়ে শ্বাশুড়ী কে গ্যঞ্জি পরা দেখে তো একদম থ ....
পাত্রের মায়ের অবৈধ সম্পর্ক আছে, পাত্রীরও পুরোনো প্রেমিক এখনও লাইনে আছে।
.
আর পাত্রের কথায় আসি,
সিরাজ সাহেব সেদিন ঘুষ খাওয়ার দায়ে পুলিশের তাড়া খেয়ে অন্ধকারে একটা গলিতে গিয়ে লুকিয়েছেন, তিনি উপলব্ধি করলেন আরও একজন কে যেন সেখানে লুকিয়েছে। ঠিক ওনার পাশেই। সিরাজ সাহেব ফিসফিস করে বললেন,
- আপনিও কি ঘুষ খেয়েছেন নাকি?
- না...
- তাহলে?
- ছিনতাই করতে গিয়ে পুলিশের তাড়া খাইছি।
- আপনি ছিনতাইকারী?
- হ্যাঁ, তোর যা যা আছে খোল, নয়তো এখানেই চাকু ঢুকিয়ে দেবো।
সিরাজ সাহেবের হাতে অনেক দামী আর একদম মৌলিক ডিজাইনের একটা সোনার ঘড়ি আছে, যা এই শহরে কারও হাতে হয়তো নেই। আর ঘড়িটাতে ওনার নাম সিগ্নেচার করা আছে। তো সেসব নিয়ে ছিনতাইকারী চলে গেলো। সিরাজ সাহেবও পাশেই মেয়ের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিলেন।
.
তো সেদিন জামাইয়ের হাতে ওনার ঘড়িটা দেখে চিনতে পারলেন আর দেয়ালে মাথা চাপড়ালেন,
"শেষমেষ একজন ছিনতাইকারীর হাতে মেয়ে তুলে দিলাম"
.
উপরের দৃশ্যগুলো এখন আর অপরিচিত কিছু নয়। আমাদের সবারই পরিচিত। আমরা সবাই খারাপ হয়েও ভালোটাই খুজি কিন্তু কেউ নিজে কখনও ভালো হতে চাইনা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কত সালে সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত হয় ?

ক) ১৯৮১ সালে
খ) ১৯৭২ সালে
গ) ১৯১০ সালে
ঘ) ১৯১১ সালে

সম্পর্কের দুই বছর পেরিয়ে গেল, Facebook থেকে পরিচয় কিন্তু এখনো করো সাথে করো দেখা হয়নি। রাগ-অভীমান, ঝগড়া আর ভালবাসার মধ্য দিয়ে কেটে যায় তাদের এই দুটি বছর।
মেয়েটি ছেলেটিকে প্রায়ই অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন করে ,
আর আজকেও মেয়েটা ছেলেটাকে হঠাৎ এক অদ্ভুত প্রশ্ন করল ,
কিন্তু আজকের প্রশ্নটা একদম ভিন্ন ।

মেয়ে : ধরো "হঠাৎ আমি মারা গেছি, তুমি মোবাইলে কল দিচ্ছ, মোবাইলটা বন্ধ ,
কয়েক দিন পর হঠাৎ কল গেল, কেউ একজন মোবাইলটা received করলো, এবং তুমি খুঁজ নিতে চাইলে ওপাশ থেকে বলে উঠলো কিছু দিন হলো সে (আমি) মারা গেছে....!!!
তখন তুমি কি করবা..???
.
ছেলেটি নির্বাক হয়ে রইল, (কেননা, মেয়েটি তাকে ছেড়ে চলে যাবে, সে যে এই কথাটি কল্পনাও করতে পারে না)
.
ছেলেটি বুঝতে পারলো ওপাশ থেকে মেয়েটির চখে অশ্রু ঝরছে...
.
ছেলেটি এখনো চুপ, তার বুকের ভিতরে যে এক ঝড় বইছে।
.
কিছুক্ষণ পর মেয়েটি কলটি কেটে দিল....
.
ছেলেটি তার নির্বাক কথা গুলো একটি পেজে লিখল "তুমি আমাকে ছেড়ে একা চলে যাবে এটা অসম্ভব, এটা আমি কখনো মেনে নিতে পারবো না। আমি তোমায় ভালবাসি তোমায় নিয়ে পৃথিবীতে দু'জন এক সাথে বাচার জন্য ।
আর তুমি ছেড়ে যাইবা...??
আমি তোমায় ছাড়া একা এই পৃথিবীতে থাকতে পারবো না, তুমি ছাড়া একটা মুহুর্ত থাকাটা আমার অনেক কষ্টের, আর তোমায় ছাড়া বাকিটা জীবন...??? (অসম্ভব)
.
নিজেকে আঘাত করতে করতে হয়তো পাগল হয়ে যাবো আর নয়তো পৃথিবীর বুক থেকে নিজের অজান্তেই হারিয়ে যাব। কারণ আমি যে তোমায় ইহকাল এবং পরকালেও চাই।
.
কিন্তু একটা কথা "তুমি আমায় ছেরে কখনো যেওনা Plz, আমার জন্য হলেও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরিও..।
আমি তোমারি আছি -পরকালে তোমারি থাকবো (আল্লাহর কাছে এটাই চাই)
.
💘অসমাপ্ত ভালবাসা💘

( Please Like our Facebook Page for more updates )

 Page Link: http://facebook.com/bdlove24com